“টাকাটা কোথায় যায়, সেই ভাবনা আর নেই”
চট্টগ্রামের একজন দাতা · ২০২৫ থেকে সহায় · ১ মিনিট
“আগেও দান করেছি — একটা ট্রান্সফার, একটা ধন্যবাদ-এসএমএস, তারপর নীরবতা। নিজেকে বোঝাতেন — নিশ্চয়ই কারো কাছে পৌঁছেছে। আসলে জানতেন না।”
“এখানে ব্যাপারটা অন্যরকম। আমি একটি শিশুকে বেছে নিয়েছি। অঙ্কটা এতিমখানার ব্যবস্থাপনার ঠিক করা, মর্জিমাফিক নয়। আর প্রতি মাসে খাতা খুলে দেখতে পারি — তার নামের নিচে প্রতিটি খরচ লেখা।”
“মাসে একবার কেয়ারগিভারের সাথে কল হয়। কারো ফোন নম্বর হাতবদল হয় না, শিশুটির সুরক্ষার জন্য সবকিছু রেকর্ড হয় — সত্যি বলতে, এই নিয়মকানুনই আমাকে আশ্বস্ত করেছে। শিশুদের রক্ষা করে যে ব্যবস্থা, সে দেখতে এমনই হয়।”
“টাকাটা কোথায় যায়, সেই ভাবনা আর নেই। আগে ওই প্রশ্নটাই ছিল কম দেওয়ার কারণ। এখন ওটাই না-থামার কারণ।”
গোপনীয়তা রক্ষায় নাম ও পরিচয়মূলক তথ্য গোপন রাখা হয়েছে — অভিভাবকের সম্মতিতে শেয়ার করা।